বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য ব্রাজিল আমদানি ডকুমেন্টেশন চেকলিস্ট

বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য ব্রাজিল আমদানি ডকুমেন্টেশন চেকলিস্ট

 

মোঃ জয়নাল আব্দীন
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ (T&IB)
নির্বাহী পরিচালক, অনলাইন ট্রেনিং একাডেমি (OTA)
মহাসচিব, ব্রাজিল–বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (BBCCI)

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্রাজিলে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ব্রাজিলকে বাংলাদেশের জন্য একটি ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ বাজারে পরিণত করেছে। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্রাজিলে ১৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে, যা আগের বছরের ১৪৭ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় ২৬% বৃদ্ধি নির্দেশ করে। এই প্রবৃদ্ধি একটি ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার অংশ (২০২২–২৩ সালে রপ্তানি ছিল ১৭৫ মিলিয়ন ডলার এবং ২০২১–২২ সালে ছিল ১০৯ মিলিয়ন ডলার) এবং এটি ব্রাজিলকে বাংলাদেশের দ্রুততম বর্ধনশীল রপ্তানি গন্তব্যগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বাংলাদেশের ব্রাজিলে রপ্তানি প্রধানত তৈরি পোশাক (RMG) খাতনির্ভর যার মধ্যে জার্সি, পুলওভার, শার্ট, স্যুট, ট্রাউজার ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত যা বিশ্বে চীনের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থানকে প্রতিফলিত করে। পাশাপাশি পাট পাটজাত পণ্যসহ অপ্রচলিত খাতে বিশাল সম্ভাবনা বিদ্যমান; বিশেষজ্ঞদের মতে, পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য ইত্যাদি রপ্তানি বাড়িয়ে বাংলাদেশ–ব্রাজিল বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব।

 

এই আশাব্যঞ্জক প্রেক্ষাপটে, ব্রাজিলে রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় আমদানি ডকুমেন্টেশন সম্পর্কে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের সুস্পষ্ট ধারণা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ডকুমেন্টেশন কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সকে সহজ করে এবং বিলম্ব বা জরিমানা এড়াতে সহায়তা করে। এই নিবন্ধে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ব্রাজিল আমদানি ডকুমেন্টেশন চেকলিস্ট উপস্থাপন করা হয়েছে বিশেষ করে পোশাক ও পাট খাতের ওপর জোর দিয়ে এবং ব্রাজিলের আমদানি বিধিমালা নেভিগেট করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, ব্রাজিল–বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (BBCCI)-এর ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে এবং বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ব্রাজিলে সফল বাজার প্রবেশের জন্য BBCCI-এর সম্পদ ব্যবহার করার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

 

পোশাক পাট: ব্রাজিলে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য

বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী তার বস্ত্র পোশাক শিল্পের জন্য সুপরিচিত এবং ব্রাজিলে বাংলাদেশের রপ্তানির মূলভিত্তি হলো পোশাক খাত। ২০২৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক, যার বৈশ্বিক বাজার অংশীদারিত্ব ৭% এর বেশি। অন্যদিকে ব্রাজিল একটি বৃহৎ ও ক্রমবর্ধমান পোশাক আমদানিকারক দেশ ২০২২ সালে দেশটি প্রায় ৫.বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের টেক্সটাইল ও পোশাক আমদানি করেছে। ওই বছরে ব্রাজিলের পোশাক আমদানিতে বাংলাদেশের অংশ ছিল প্রায় ১৫০.মিলিয়ন ডলার, যা ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের বিশাল সুযোগ নির্দেশ করে। ব্রাজিলের মধ্যবিত্ত শ্রেণির সম্প্রসারণ এবং প্রতিযোগিতামূলক দামে মানসম্মত পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশি বড় পোশাক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্রাজিলকে একটি উচ্চ সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে বিবেচনা করছে। প্রকৃতপক্ষে, প্রতিযোগিতামূলক মূল্য ও উৎপাদন সক্ষমতার কারণে ২০২২–২৩ সালে ব্রাজিলে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি প্রায় ৬০% বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রাজিলে বাংলাদেশের জনপ্রিয় পোশাক রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে নিটওয়্যার (যেমন টি-শার্ট, সোয়েটার) এবং ওভেন পোশাক (পুরুষদের স্যুট, শার্ট, ট্রাউজার ইত্যাদি), যেগুলোর চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তবে রপ্তানিকারকদের অবশ্যই ব্রাজিলের আমদানি বিধিমালা বিশেষ করে পর্তুগিজ ভাষায় লেবেলিং সংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলতে হবে।

 

পাট পাটজাত পণ্য বাংলাদেশ–ব্রাজিল বাণিজ্যের আরেকটি সম্ভাবনাময় খাত। বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদক, যা বৈশ্বিক পাট উৎপাদনের প্রায় ৪২% প্রতিনিধিত্ব করে এবং পাট ও পাটজাত পণ্যের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারক। পাট একটি প্রাকৃতিক তন্তু যা সুতা, বস্তা, ব্যাগ, কার্পেট ও পরিবেশবান্ধব পণ্যে ব্যবহৃত হয়। বৈশ্বিকভাবে পরিবেশবান্ধব ও জৈব অবক্ষয়যোগ্য উপকরণের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির ফলে ব্রাজিলেও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। যদিও ব্রাজিল নিজেও কিছু পাট উৎপাদন করে, তবুও কৃষিপণ্য প্যাকেজিং ও পরিবেশবান্ধব ব্যবহারের জন্য আমদানিকৃত মানসম্পন্ন পাটের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। বাংলাদেশি পাটকল ও রপ্তানিকারকরা পাট সুতা, হেসিয়ান কাপড়, গানি ব্যাগ এবং বৈচিত্র্যময় পাটজাত পণ্য ব্রাজিলে সরবরাহ করতে পারে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশ সরকার ও ব্যবসায়ী মহল ব্রাজিলে পাটজাত পণ্য রপ্তানিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে পাট যেহেতু উদ্ভিজ্জ পণ্য, তাই ফাইটোস্যানিটারি বিধিমালা, ফিউমিগেশন সার্টিফিকেট ইত্যাদি ডকুমেন্টেশন নিশ্চিত করা আবশ্যক, যা পরবর্তী অংশে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

 

ব্রাজিলের জন্য আমদানি ডকুমেন্টেশনের প্রয়োজনীয়তা

বাংলাদেশ থেকে ব্রাজিলে রপ্তানি করতে হলে একাধিক মানসম্মত শিপিং কাস্টমস ডকুমেন্ট প্রস্তুত করতে হয়। ব্রাজিলের আমদানি বিধিমালা অত্যন্ত কঠোর এবং কোনো ডকুমেন্টে অসঙ্গতি বা ঘাটতি থাকলে পণ্য খালাসে বিলম্ব, অতিরিক্ত খরচ বা জব্দ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। নিচে ব্রাজিলে পণ্য আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় প্রধান ডকুমেন্টগুলোর একটি চেকলিস্ট দেওয়া হলো:

 

১. কমার্শিয়াল ইনভয়েস

এটি বিক্রয় লেনদেনের প্রধান দলিল। ইনভয়েসটি ইংরেজি বা পর্তুগিজ ভাষায় হতে হবে এবং এতে পণ্যের বিস্তারিত বিবরণ, পরিমাণ, একক মূল্য, মোট মূল্য, মুদ্রা, রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকের নাম ও ঠিকানা, ইনকোটার্মস (FOB, CIF ইত্যাদি) এবং রেফারেন্স নম্বর থাকতে হবে। ব্রাজিলিয়ান কাস্টমস শুল্ক নির্ধারণে এই ইনভয়েস ব্যবহার করে, তাই তথ্য অবশ্যই সঠিক ও অন্যান্য ডকুমেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

 

২. প্যাকিং লিস্ট

পণ্য কীভাবে প্যাক করা হয়েছে তার বিস্তারিত তালিকা। প্রতিটি প্যাকেজের ভেতরের পণ্য, পরিমাণ, ওজন (গ্রস ও নেট), মাত্রা এবং প্যাকেজিং ধরন উল্লেখ থাকতে হবে। এটি কাস্টমস পরিদর্শন সহজ করে এবং ইনভয়েসের সঙ্গে মিল যাচাইয়ে সহায়তা করে।

 

৩. বিল অব লেডিং (B/L)

সমুদ্রপথে পরিবহনের ক্ষেত্রে বিল অব লেডিং এবং আকাশপথে এয়ারওয়ে বিল প্রয়োজন। ব্রাজিলে বিল অব লেডিং-এ আমদানিকারকের CNPJ বা CPF নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। তাছাড়া ব্রাজিল সাধারণত Telex Release বা Seaway Bill গ্রহণ করে না, তাই মূল বিল অব লেডিং প্রয়োজন হয়।

 

৪. সার্টিফিকেট অব অরিজিন

পণ্যের উৎপত্তি দেশ প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হয়। শুল্ক ছাড়, বাণিজ্য সুবিধা বা অ্যান্টি-ডাম্পিং প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ব্রাজিলিয়ান আমদানিকারক ব্যাংকিং ও কাস্টমস প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই সার্টিফিকেট চায়।

 

৫. ইনস্যুরেন্স সার্টিফিকেট

যদি পণ্য বীমাকৃত হয় (বিশেষ করে CIF ভিত্তিতে), তবে বীমা সনদ দিতে হবে। এতে কভারেজ, বীমা মূল্য ও পলিসি নম্বর উল্লেখ থাকবে।

 

৬. ইমপোর্ট লাইসেন্স (প্রযোজ্য হলে)

কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে ব্রাজিলীয় আমদানিকারককে আগে থেকেই SISCOMEX সিস্টেমের মাধ্যমে আমদানি লাইসেন্স নিতে হয়। সাধারণত পোশাক ও পাট পণ্যের ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রয়োজন হয় না, তবে স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা পরিবেশসংক্রান্ত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।

 

সব ডকুমেন্টের তথ্য অবশ্যই একই সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। কোনো অসঙ্গতি থাকলে ব্রাজিলের কাস্টমস সিস্টেমে পণ্য ইয়েলো বা রেড চ্যানেলে পড়তে পারে, ফলে ৭–১৫ দিন পর্যন্ত বিলম্ব হতে পারে। তাই ডকুমেন্ট প্রস্তুতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন জরুরি।

বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য ব্রাজিল আমদানি ডকুমেন্টেশন চেকলিস্ট
বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য ব্রাজিল আমদানি ডকুমেন্টেশন চেকলিস্ট

নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য অতিরিক্ত প্রয়োজনীয়তা

পোশাক ও টেক্সটাইল

ব্রাজিলে আমদানিকৃত সব পোশাকে পর্তুগিজ ভাষায় লেবেল বাধ্যতামূলক, যেখানে ফাইবার কন্টেন্ট, যত্ন নির্দেশনা, সাইজ, উৎপত্তি দেশ এবং আমদানিকারকের তথ্য থাকতে হবে। ব্যবহৃত পোশাক আমদানি সাধারণত নিষিদ্ধ।

 

পাট ও কৃষিজ পণ্য

পাটজাত পণ্যের ক্ষেত্রে ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেটফিউমিগেশন সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক। ব্রাজিলের কৃষি মন্ত্রণালয় (MAPA) এ বিষয়ে তত্ত্বাবধান করে এবং প্রয়োজনে আমদানিকারকের পূর্বানুমোদন দরকার হতে পারে।

 

খাদ্য ও ফার্মাসিউটিক্যাল

খাদ্য, কসমেটিকস, ওষুধ ইত্যাদি পণ্যের ক্ষেত্রে ANVISA-এর অনুমোদন ও স্বাস্থ্য সনদ প্রয়োজন হয়। এসব পণ্য কেবল অনুমোদিত ব্রাজিলিয়ান আমদানিকারকই আমদানি করতে পারে।

 

ইলেকট্রনিক্স ও যন্ত্রপাতি

অনেক ইলেকট্রনিক পণ্যের জন্য INMETRO সার্টিফিকেশন এবং টেলিকম যন্ত্রের জন্য ANATEL অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।

 

রপ্তানিকারকদের জন্য BBCCI-এর সহায়তা: সদস্য হওয়ার আহ্বান

ব্রাজিলের মতো একটি বড় বাজারে প্রবেশ করা জটিল হতে পারে, তবে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের একা চলতে হয় না। ব্রাজিল–বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (BBCCI) দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। BBCCI বাজার তথ্য, নিয়ন্ত্রক দিকনির্দেশনা, নেটওয়ার্কিং, B2B ম্যাচমেকিং, বাণিজ্য মিশন, প্রশিক্ষণ এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করে। সদস্য হলে রপ্তানিকারকরা ব্রাজিলিয়ান আমদানিকারক, পরিবেশক ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পান।

 

আমরা সব বাংলাদেশি রপ্তানিকারক বিশেষ করে পোশাক, পাট ও কৃষিপণ্য খাতের উদ্যোক্তাদের—BBCCI-এর সদস্য হওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি

 

যোগাযোগ করুন (BBCCI):
ফোন: +8801553676767
ইমেইল: sg@brazilbangladeshchamber.com
ওয়েবসাইট: https://brazilbangladeshchamber.com

 

উপসংহার

ব্রাজিল বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল ও সম্ভাবনাময় বাজার। সাম্প্রতিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি প্রমাণ করে যে এই বাজারে সুযোগ বাড়ছে। তবে এই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে ব্রাজিলের আমদানি ডকুমেন্টেশন ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান থাকা অপরিহার্য। সঠিক ডকুমেন্টেশন কেবল কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স সহজ করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলতেও সহায়তা করে। BBCCI-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নিয়ে এবং নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা ব্রাজিলে তাদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে পারে। আমরা আশা করি এই গাইডটি বাংলাদেশি ও ব্রাজিলিয়ান রপ্তানিকারক–আমদানিকারকদের জন্য একটি কার্যকর রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও সুদৃঢ় হবে।